প্রকাশিত কালাম 15

সাতজন ফেরেশতা ও সাতটা গজব

1পরে আমি বেহেশতে আর একটা মহান ও আশ্চর্য চিহ্ন দেখলাম। দেখলাম, সাতজন ফেরেশতা আর তাঁদের হাতে শেষ সাতটা গজব। এগুলোকে শেষ গজব বলা হচ্ছে, কারণ এগুলো দিয়ে আল্লাহ্‌র রাগেরও শেষ হবে। 2তারপর আমি আগুন মেশানো কাচের একটা সমুদ্রের মত দেখলাম, আর যারা সেই জন্তু ও তার মূর্তি এবং তার নামের সংখ্যার উপরে জয়লাভ করেছে তাদেরও দেখলাম। আল্লাহ্‌র দেওয়া বীণা হাতে করে তারা সেই কাচের সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে ছিল। 3তারা আল্লাহ্‌র গোলাম মূসার এবং সেই মেষ-শাবকের এই কাওয়ালীটি গাইছিল:

“হে সর্বশক্তিমান মাবুদ আল্লাহ্‌,
কত মহান ও আশ্চর্য তোমার কাজ!
হে সমস্ত জাতির বাদশাহ্‌,
কত ন্যায় ও সত্য তোমার পথ!
4হে মাবুদ, কে না তোমাকে ভয় করবে?
কে না তোমার নামের প্রশংসা করবে?
কেবল তুমিই তো পবিত্র।
সমস্ত জাতি তোমার কাছে আসবে,
সবাই তোমার এবাদত করবে;
কারণ তোমার ন্যায়বিচার প্রকাশিত হয়েছে।”

5এর পরে আমি দেখলাম, বেহেশতে সেই এবাদত-খানাটি, অর্থাৎ সাক্ষ্য-তাম্বুটা খোলা হল। 6তখন সেই সাতজন ফেরেশতা সাতটা গজব নিয়ে এবাদত-খানা থেকে বের হয়ে আসলেন। তাঁদের পরনে ছিল পরিষ্কার ঝক্‌ঝকে কাপড় আর বুকে বাঁধা ছিল সোনার পটি। 7সেই চারজন প্রাণীর একজন সেই সাতজন ফেরেশতাকে সাতটা সোনার পেয়ালা দিলেন। আল্লাহ্‌, যিনি যুগ যুগ ধরে চিরকাল জীবিত আছেন, সেই পেয়ালাগুলো তাঁর রাগে পূর্ণ ছিল। 8আল্লাহ্‌র মহিমা ও কুদরত থেকে যে ধোঁয়া বের হচ্ছিল সেই ধোঁয়ায় এবাদত-খানাটি পূর্ণ হল। সেই সাতজন ফেরেশতার সাতটা গজব শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ সেই এবাদত-খানায় ঢুকতে পারল না।